Monday, March 30, 2020

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ সমুদ্রের ডাক, বিজ্ঞানী অনিক লুম্বা, রিটিন

প্রথম বইটার নাম সমুদ্রের ডাক । আহসান হাবীবের লেখা । সমুদ্রের ডাক বইটা ছোট । উপন্যাস না বলে উপন্যাসিকা বলাই ভাল । মাত্র ৭৫ পেইজের বই । ভেতরের কাহিনীও খুব বেশি বড় না ।
গল্পটা এক মিনিস্টারের । সে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতাপে ভর্তি হয় । সেখানে গিয়াস নামের একজন সুদর্শন ডাক্তার আসে তার চিকিৎসা করার জন্য । খুব ছোট্ট একটা সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেও মিনিস্টার সাহেবের অবস্থা দিন দিন খারাপ হাতে থাকে ।

Saturday, March 21, 2020

ইন্দ্রজালঃ হাজার বছরের পিছুটান

গল্পের শুরু এক রোমান চিত্রকর ও প্রত্নতত্ত্ববিদ রোম থেকে জাহাজে করে গ্রীসে এসে হাজির হয় ১৮১২ সালে । চিত্রকরের নাম সায়মন । রোম থেকে তার গ্রীসে আগমনের উদ্দেশ্য হচ্ছে প্যাগানদের মন্দিরের ভেতরটা একটু পরীক্ষা করে দেখা । কিন্তু সেই মন্দিরের পুরোহিতা তাকে সেটা করতে দিতে রাজি হয় না । ফলাফল স্বরূপ সে রাতের আধারে সেই মন্দিরে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে একটা বাক্স নিয়ে আসে । বাক্সটা পরীক্ষা করে দেখতে পায় সেখানে একটা দুয়ার সদৃশ্য স্ট্রাকচার রয়েছে ।

লভক্রফটিয়ান হরর: অদ্ভুত আঁধার এক

লভক্রফটিয়ান হরর সম্পর্কে এদেশের মানুষের খুব একটা ধারনা নেই । এই লভক্রফটিয়ান হররের সৃষ্টা হচ্ছেন জনপ্রিয় হাওয়ার্ড ফিলিপ লভক্রাকট । তিনি তার বিভিন্ন গল্পে এমন কিছু ভয়ের সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছে । আমাদের ধর্ম গ্রন্থ গুলো অনুসারে আমাদের সৃষ্টিকর্তা আমাদের ভালবাসেন তিনি সব সময় আমাদের মঙ্গল চান কিন্তু লভক্রফটিয়ান হররে এই গডেরা আমাদের মানে মানুষদের মোটেই ভাল বাসে না । আমরা যেমন প্রতিদিন অসংখ্য মশা মাছি পোকা মাকড় মেড়ে ফেলি পিসে ফেলি পায়ের নিচে, তারা বাঁচলো কি মরলো আমাদের কিছু যায় আসে না এই লভক্রফটিয়ান হররের গডেরাও মানুষদেরকে ঠিক এমনই মনে করে । মানুষ বাঁচলো কি মরলো তাতে তাদের কিছু যায় না ।

Monday, March 16, 2020

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ আমারে দেব না ভুলিতে

বইয়ের নাম "আমারে দেব না ভুলিতে" । গল্পের কাহিনী আগে বলি । গল্পের শুরু হয় হায়দার সাহেবের একমাত্র মেয়ে অবন্তীর বিয়ে দিয়ে । বিয়ের শুরু থেকেই অবন্তীর মনে একটা অস্বস্তি শুরু হয় । হলুদের রাতেই মনে হয় কেউ যেন ওকে দেখছে । যাই হোক বিয়ে হয়ে যার আশফাক নামের গম্ভীর মানুষটার সাথে । বিয়ের পর আশফাকের সাথেই তাদের পৈতৃক বাড়িতে চলে আসে সে । গাজীপুরে বিশাল বাড়ি আশফাকদের । আশফাকের এই জগতে কেউ নেই । আশাফাকদের বংশে একটা নাকি অভিশাপ আছে ।

Friday, March 6, 2020

দ্য হ্যাম্পঃ প্লেস অব নো রিটার্ন

গতকালকের পড়া আরেকটা বইয়ের নাম হচ্ছে দ্য হ্যাম্পঃ প্লেস অব নো রিটার্ন

আহমেদ ফারুকের লেখা আমার ভালই লাগে । হালকা পালতা ভৌতিক কিংবা রহস্যের লেখক হিসাবে তার লেখা গুলো ভাল বেশ । মন ফুরফুরে থাকলে সময় ভাল কাটে !

এই বছরের তার নতুন বইয়ের নাম   দ্য হ্যাম্পঃ প্লেস অব নো রিটার্ন

গল্পে বলা হয়েছে যে হ্যাম্প স্থানটা মায়ানমার এবং চীন সীমান্তের এমন একটা গহীন বনে অবস্থিত সেখানে একবার যে যায় আর ফিরে আসে না । সিভেতা আর পাবলো দুই বন্ধু । সমু আঙ্কেল তাদেরকে একটা অভিযানে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করে । অভিযানটা পরিচালিত হবে খাগড়াছড়ির সীমান্ত ঘেষে । ভারত ও মায়ানমার সীমান্তের কাছে তারা যাবে । প্রায় ৩০ জনের একটা দল । সমু আঙ্কেল ন্যাশনাল

কালবীর- আবির্ভাব

গল্পের কাহিনী এগিয়েছে বেশ কিছু টাইমলাইনে, বেশ কিছু সময়ে । গল্পের শুরু হয় মিতুলকে দিয়ে । স্কুলের পিকনিক থেকে ফেরার সময়ে তাদের বাস এক্সিডেন্ট করে । বাসে থাকা তার ক্লাসের অন্য সবাই মারা পড়লেও মিতুল বেঁচে যায় । তাকে একজন রক্ষা করে । একজন রহস্যময় মানুষের মত দেখতে কিছু একটা । তার থেকেই সে মিতুলের সাথেই থাকে । মিতুলকে নানান কিছু দেখায় ।