টোকিও শহরের বিলাসবহুল ফাইভ স্টার হোটেল। সেই হোটেলের একজন ফ্রন্ট ডেস্ক ম্যানেজার নাওমি। সে তার কাজের প্রতি খুবই নিষ্ঠাবান। হোটেলের বড় কর্মকর্তারা তার উপর ভরসা করে। নাওমিকে একদিন তার বসদের অফিসে ডাকা হয়। নাওমি সেখানে গিয়ে অদ্ভুত এবং ভয়ংকর একটা ব্যাপার জানতে পারে।
একের পর এক গেস্ট আসতে শুরু করে আর প্রতিদিন নানান রকম ঘটনা ঘটতে থাকে। সেই সাথে পুলিশের খোঁজ চলতে থাকে। এবং আস্তে আস্তে পুরো গল্পটা ফুটে উঠতে শুরু করে। কীভাবে চারটি খুন হল, একটা খুনের সাথে অন্য খুনের বিন্দুমাত্র সম্পর্ক থাকে না। খুনের ধরন বা কোনো ভিকটিম অন্য কোনো ভিকটিমকে চেনে না, এমন খুনের ভেতরে কোনো প্যাটার্ন পর্যন্ত নেই। কিন্তু খুনি প্রতিটি খুনের পর পরবর্তী খুনের ক্লু রেখে যায় লাশের আশেপাশে। সেই কোডেই পাওয়া যায় পরবর্তী খুনের স্থান। এভাবেই পুলিশ জানতে পারে যে পরের খুনটা হোটেলে হবে। কিন্তু কে খুন করবে আর কে খুন হবে সেটার ব্যাপারে কোনো ধারণাই কারো থাকে না। তাহলে পুলিশ কীভাবে খুনটা আটকাবে?
বইটা আমি শেষ করি একেবারে একটানে। পঞ্চগড় থেকে ট্রেনের লম্বা জার্নিতে একটানে বসে বইটা শেষ করেছি। বলা যায় বইয়ের ভেতরে আমি ঢুকে গিয়েছিলাম। সামনে কী হবে সেটা না জেনে আমার শান্তি ছিল না। অনেক দিন পরে এমনভাবে একটা বই পড়ে আমি শেষ করলাম। একদিকে ট্রেনের দুলুনি আর আমি সিটের উপর পা তুলে বসে একটানে বই পড়েই চলেছি। অন্য কোনো দিকে আমার কোনো খোঁজ নেই।
