Sunday, July 14, 2019

বুক রিভিউঃ নির্বাসন

পরশুদিন পড়ে শেষ করেছি সাদাত হোসাইনের "নির্বাসন" বইটা । যারা বইটা এখনও পড়েন নি এবং যাদের পড়ার ইচ্ছে আছে দয়া করে নিচে আর নামবেন না । এখানেই পোস্ট টা পড়া বন্ধ করে দিন । কারন স্পয়েলার, কাহিনী আমি সব বলে দেব । আপনার আর পড়তে আগ্রহ জন্মাবে না । আর যারা পড়েছেন কিংবা পড়ে পড়ার ইচ্ছে নেই তারা পড়তে পারেন ।

Saturday, July 6, 2019

দ্য ডার্ক প্রিন্স (পর্ব আট)


মাইক্রোবাসটা দ্রুত এগিয়ে চলছে । একটু আগেও খানিক সময়ের জন্য সেটা একটু জ্যামে পড়েছিলো । মিতুর খুব ইচ্ছে করছিলো চিৎকার করে মানুষ ডাকতে । কিন্তু সেটার কোন উপায় ছিল না ওর কাছে । ওকে মাইক্রোবাসের মাঝের সিটে বসিয়ে রাখা হয়েছে । ওর দুটি হাত এক সাথে করে পেছন দিক দিয়ে বাঁধা । মুখে একটা মেডিক্যাল টেপ দিয়ে আটকানো । সিট বেল্ট দিয়ে আটকানো সিটের সাথে ।

Friday, July 5, 2019

বুক রিভিঊঃ আরিন ও আদিম দেবতার উত্থান

সায়ক আমানকে আমি চিনি ইউটিউবের মাধ্যমে । তার একটা স্টোরী চ্যানেল আছে । সেখানকার নিয়মিত শ্রোতা আমি । সেখান থেকেই তার প্রথম বইটার খোজ পাই । "তার চোখের তারায়" বইটা চমৎকার ভাবে শুরু হলেও শেষটা আমার ঠিক পছন্দ হয় নি । মনে হয়েছিলো হয়তো আরও একটু ভাল হতে পারতো । তাই তার পরের বইটার ব্যাপারে একটু কম আশাবাদী ছিলাম । অনেকদিনের চেষ্টার পর তার বই "আরিন ও আদিম দেবতার উত্থান" বইটা হাতে এসেছে । 

দ্য ডার্ক প্রিন্স (পর্ব সাত)

ফারাজ কফির কাপটা হাতে নিয়ে মিতুর দিকে তাকালো । মিতুর হাতেও কফির কাপ নিয়ে দাড়িয়ে আছে জানলার পাশে । এক ভাবে তাকিয়ে আছে বাইরে । বাইরে বেশ কিছু সময় ধরে ঝড় হচ্ছে । কাঁচটা একটু খুলে দেওয়া । সেখান থেকে মাঝে মাঝেই প্রবল বাতাস আচ্ছে । তার সাথে বৃষ্টির পানি । মিতু চুপ করে সেদিকে তাকিয়ে আছে । 

Thursday, July 4, 2019

দ্য ডার্ক প্রিন্স (পর্ব ছয়)

পরের সপ্তাহে মিতুর জীবনে আরও বড় রকমের কিছু পরিবর্তন দেখা দিল । এই পরিবর্তনের জন্য মিতু ঠিক তৈরি ছিল না । সে খুশি হবে নাকি বেজার হবে সেটাও ঠিক বুঝতে পারছিলো না । 
মোহাম্মাদপুর থেকে ফারাজ চৌধুরীকে ঐভাবে ফেরৎ নিয়ে আসার পর থেকেই মিতু জীবনে প্রথম যে পরিবর্তন এসেছিলো সেটা হচ্ছে মিতুর সব সময় এটা মনে হতে থাকে যে ওকে সব সময় চোখে চোখে রাখতে । এই

Wednesday, July 3, 2019

দ্য ডার্ক প্রিন্স (পর্ব পাঁচ)


স্কুটি চালাতে মিতুর সব সময় ভাল লাগে । নিজেকে একটু স্বাধীন স্বাধীন মনে হয় । মিটারে যত গতি বাড়াতে পারে তত যেন ভাল লাগে । কিন্তু আজকে যতই মিটারে গতির কাটাটা বাড়তে ওর টেনশন যেন আরও বাড়ছে । এতো রাতে এর আগে কোন দিন সে বাইরে বের হয় নি । আজকেও বেশ হওয়াটা মোটেই ঠিক হয় নি । তবে মনের ভেতরে সেই অনুভূতিটা এতো তীব্র হচ্ছে যে বাড়ির বাইরে না বেরিয়ে সে পারে নি ।

Tuesday, July 2, 2019

দ্য ডার্ক প্রিন্স (পর্ব চার)

মিতুর শোবার খাটটা একেবারে জানালার পাশে । শুয়ে শুয়ে আকাশটা খুব ভাল করে দেখা যায় । ঢাকা শহরের বেশির ভাগ বিল্ডিংই একটার সাথে অন্যটা গা ঘেঁষাঘেঁষি করে বেড়ে উঠছে । পাশের বাসার দেওয়াল ছাড়া জানলা দিয়ে আর কিছু দেখা যায় না কিন্তু মিতুর জানালা থেকে এখনও আকাশটা বেশ ভাল ভাবেই দেখা যায় । 

Monday, July 1, 2019

দ্য ডার্ক প্রিন্স (পর্ব তিন)

মিতুর জীবনটা হঠাৎ করেই বদলে গেছে । আগে সকালে ঘুম থেকে উঠেই ক্লাসে যাওয়ার কথা ভাবতো, এখন ঘুম থেকে উঠে অফিসে যাওয়ার কথা ভাবে । ভাবে আজকে ক্লাসে যাবে নাকি অফিসে যাবে । যদিও ওকে অফিস থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে । ক্লাসের পরে অফিসে গেলে কোন সমস্যা নেই । 

দ্য ডার্ক প্রিন্স (পর্ব দুই)

সিগনাল জ্যামে গাড়িটা বসে আছে অনেকটা সময় । এই সকাল বেলাতেই এতো সময় নষ্ট হবে সেটা ফারাজ চৌধুরী বুঝতে পারে নি । বাসা থেকে এখানে আসতেই এক ঘন্টা লেগে গেল । আরও কত সময় লাগবে কে জানে । মনে মনে তার প্রচন্ড রাগ হচ্ছে কিন্তু এই রাগটা সে কার উপর প্রকাশ করবে সেটা বুঝতে পারছে না । গাড়ির সামনের সিটে তার পিএ নাতাশা বসে আছে। এসি চলছে তবুও মেয়েটা একটু একটু ঘামছে । বসের মেজাজ খারাপ হচ্ছে সেটা সে ভাল করেই বুঝতে পারছে । আর বসের মেজাজ খারাপ হলে যে তার ভয় পাওয়ার একটা ব্যাপার আছে সেটাও সে খুব ভাল করেই জানে ! 

দ্য ডার্ক প্রিন্স (পর্ব এক)

সিগনাল জ্যামটা যে কখন ছাড়বে সেটা কেউ জানে না । মিতু অনেকটা সময় সামনের দিকে তাকিয়ে রয়েছে । যদিও ওর খুব একটা তাড়াহুড়া নেই । আজকে ওর কোন ক্লাস নেই । স্কুটি নিয়ে এমনিই বের হয়েছে । যদি কোন রাইড পেয়ে যায় এই আশাতে । স্কুটিটা কেনার পর একদিন ইচ্ছে করেই রাইড শেয়ার এপসে সাইনআপ করেছে । ভেবেছিলো যে যাওয়ার কিংবা আসার পথে যদি কাউকে পাওয়া যায় তাহলে উঠিয়ে নিবে । কিন্তু এখন ও কাজটাতে বেশ মজাই পায় । ক্লাসে যাওয়া আসা ছাড়াও মাঝে মাঝেই রাইড শেয়ার করে । 

বুক রিভিউঃ কুয়াশিয়াঃ স্পেলমেকারের অনুসন্ধান


লম্বা সময়ের রিডার্স ব্লক কাটিয়ে একটা বই পড়ে শেষ করতে পারলাম । মনে হচ্ছে রিডার্স ব্লকটা কেটে গিয়েছে । কাল রাতে বইটা শেষ করতে পেরেছি । বইটার নাম “কুয়াশিয়া” । লেখক আশরাফুল সুমন । আধুনিক রূপকথার গল্প অর্থ্যাৎ বইটার ধরন ফ্যান্টাসি । বাংলা ভাষায় বাংলাদেশী লেখকদের লেখা ফ্যান্টাসি গল্প আমি এর আগে পড়েছি বলে মনে পড়ে না । ছোট খাটো গল্প পড়া হয়েছে কিন্তু বিশাল সাইজের ফ্যান্টাসি উপন্যাস আমার এই প্রথম । সেই হিসাবে লেখক সাহেবকে অবশ্যই ধন্যবাদ দেওয়া উচিৎ ।